মেনু নির্বাচন করুন

পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

গ্রাম ও ডাকঘরঃ পোমগাঁও, ৫নং ঝলম (দঃ) ইউনিয়ন পরিষদ। উপজেলা- মনোহরগঞ্জ, জেলাঃ কুমিল্লা।

ইতিহাসঃ

          প্রাথমিক ভাবনাঃ- সময় ১৯২৪ সাল। ব্রিটিশ শাসিত উপ মহাদেশের শিক্ষা দীক্ষা কী জিনিস অনেকর কাছেই তা বোধগম্য ছিল না। ফলে কুসংষ্কারচ্ছন্ন পুরো এলাকা খুজে ২/১ জন শিক্ষিত মানুষ পাওয়া ছিল দুষ্কর। যার ফলে দেশে বিদেশে হতে আসাচিঠি পড়ে শোনার জন্য হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াতে হতো শিক্ষিত মানুষ পাওয়ার আসায়। আর ইংরেজী জানা শিক্ষিত লোকের সংখ্যা ছিলো না বললেই চলে। শিক্ষা দীক্ষায় অবহেলিত এই এলাকার মানুষকে আলোর পথ দেখাতে তখন দরকার হলো একজন সাহসী সৈনিকের যার নেতৃত্বে অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষ গুলোকে শিক্ষার মাধ্যমে আলোকিত করবে। এমনি এক ব্যক্তি হলেন জলিপুর (পোমগাঁও এর  পাশ্ববর্তী) গ্রামের সাহা পরিবারের ক্ষনজন্মা পুরুষ বাবু জগৎচন্দ্র সাহা (জামিদার হতে প্রাপ্ত উপাধি দেউড়ী)। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত না হলে এলাকার জনগন আরো পিছিয়ে যাবে এবং স্বীয় অস্তিত্ব্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে। তাই তিনি স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন একটি বিদ্যালয়ের। যেখানে বই স্লেট, পেন্সিল হতে কচি কাঁচা শিশুরা আসবে জ্ঞান চর্চার জন্য। তাঁর এই স্বপ্নের কথা জানালেন পোমগাঁও প্রানের বাবু রামকুমার বর্মন এবং তৎকালীন ইউ.পি প্রেসিডেন্ট জনাব আমজাদ আলী হাওলাদারকে। তিন প্রবাদ পুরুষ মত বিনিময় করে সিদ্বান্ত নিলেন যে, বাবু রামকুমার এর চৌচালা কাঁচারীতে প্রাথমিক ভাবে বিদ্যালয়ের কাজ শুরু হবে।

স্বপ্নের বস্তবায়নঃ- পোমগাঁও  এম.ই স্কুল (মিউল ইংলিশ স্কুল)। অবশেষে সেই শুভক্ষনটি এল। পূর্ব গৃহীত সিদ্ধান্ত মতে ১৯২৫ সালের জানুয়ারী মাসের ২ তারিখ (০২/০১/১৯২৫ইং) বাবু রামকুমারের চৌচালা কাচারীতে পোমগাঁও এম.ই স্কুলের যাত্রা শুরু হয় দুজন পন্ডিত ও তিনজন ছাত্র দিয়ে। স্কুল স্থাপনের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ল জলিপুর বাসী ক্ষীপ্ত হলেন দেউড়ী মশাই এর উপর। কথিত আছে যে, স্কুল স্থাপন করতে গিয়ে দেউড়ী মশাই এমন রোষানলে পড়েছিলেন যে, তিনি (০৬) ছয় মাস গ্রামে যেতে পারেনি। কর্মির কাজ কর্ম পিছনে তাকাবার অবকাশ তার নাই। দেউড়ী মশাই পন্ডিতদেরকে নিয়ে আশ পাশের গ্রামের সাধারন মানুষকে তাদের সন্তানদেরকে স্কুলে পাঠাবার জন্য উদ্ধুদ্ধ করেন। সাড়া জাগে সমাজের মানুষের মাঝে। ক্রমান্বয়ে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করল। এতে হিন্দু ছাত্র সংখ্যাই বেশী। বিদ্যালয় স্থাপনের পূর্বশর্ত হচ্ছে বিদ্যালয়ের নামে সম্পত্তি থাকতে হবে। রামকুমার বাবু প্রতিশ্রুতি দিলেন সম্পত্তি দানে। কিন্তু হঠাৎ তার মৃত্যু হলে তাঁরই সুযোগ্য দু’সন্তান ১) বাবু রামচন্দ্র ও ২) বাবু কৃষ্ণ চন্দ্র পিতার প্রতিশ্রুতি পালন করলেন ২১/০১/১৯২৬ সালে । দানপত্র  দলিলমূলে পোমগাঁও এম.ই স্কুলের বরাবরে ০৩(তিন) বিঘা ৯৯শতক সম্পত্তি দান করে পিতাকে অমর করে রেখেছেন। এ পর্যায়ে রামকুমার বাবু চৌচালা কাচারীটিকে বিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তিতে স্থানান্তর করা হয়।

এটিই ছিল বিদ্যালয়ের প্রথম গৃহ। এলাকার ধনাঢ্য ব্যাক্তি দের টনক নড়ে। তাঁরও সাহায্যের হস্ত প্রসারিত করলেন। স্থান পিপাসা মিটাবার এহেন প্রয়াস দেখে মুগ্ধ হলেন তৎকালীন ভারত থেকে আসা পাট ব্যবসায়ী বিরলা কোম্পানী। বিদ্যালয়ের গৃহ নির্মানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ঢেউটিন প্রদানের প্রস্তাব করলেন কোম্পানী। সাদরে গ্রহন করা হল প্রস্তাব। দেউড়ী মশাই এর অবস্থা এমন হলো যেন নিভু নিভু প্রদীপ হঠাৎ প্রজ্জলিত হল দেউড়ী মশাই, কাঠ সরবরাহ করলেন। রাম কুমার বাবুর চৌচালা দেউড়ী মশাই এর দেয়া কাঠ এবং বিরলা কোম্পানীর প্রদত্ত ঢেউটিন দিয়ে তৈরি হল বিদ্যালয়ের উপযোগী গৃহটি। এ যেন পোমগাঁও এম.ই স্কুলের প্রান আসলো।

পরিদর্শন বহিতে প্রতীয়মান হয় যে, ১৯৩১ সাল হতে সরকারী কর্মকর্তাগন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। তাঁদের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় শিক্ষা দীক্ষায় পাশ্চাৎপদ এলাকায় বিদ্যালয়টির উপযোগীতা অনস্বীকার্য। ফলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষেও সুদৃষ্টি হলো এবং স্বতস্ফুর্ত ভাবে ৩১/০৩/১৯৩৩ সাল হতে পোমগাঁও এম.ই স্কুলের স্বীকৃতি প্রদান করেন।

 

পোমগাঁও আপগ্রেড স্কুল(জুনিয়র স্কুল)ঃ- ১৯৫২ইং সালে পোমগাঁও এম.ই স্কুল আপগ্রেড (জুনিয়র) স্কুলে উন্নীত করা হয়। এবং ১৯৫৩ইং সালে আপগ্রেড (জুনিয়র) স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

 

পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ঃ- পোমগাঁও এম.ই স্কুল আপগ্রেড যখন উন্নীত হওয়ায় স্থান পিপাসু মানুষের উদ্যেম আরো একদম এগিয়ে যায়। নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বিদ্যালয়টিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার। এ লক্ষে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লাউলহরী নিবাসী জনাব মোঃ ইব্রাহীম মিয়া হাওলাদার এর নেতৃত্বে ইয়ংম্যান ক্লাব (YMC) গঠিত হয়। ক্লাবের অপরাপর সদস্য ছিলেনক ১) সামছুল হক, ২) ফয়েজ হোসেন হাওলাদার, ৩) মাস্টার মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ৪)ডাঃ আমিন উল্ল্যাহ খন্দকার, ৫) মাস্টার আবদুল মুনাফ, ৬) আবদুল মান্নান। বিদ্যালয়ের স্বীকৃতির জন্য জনাব মোঃ ইব্রাহীম মিয়া হাওলাদার তৎকালীন চীপ মিনিষ্টার জনাব আতাউর রহমান খান বরাবর আবেদন করেন। আবেদনকৃত পত্রে সুপারিশ ছিল তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত, দুর্নীতি দমন বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী শেখ মজিবুর রহমান ও মজলম জননেতা মাওঃ আবদুল হামিদ খান ভাসানী প্রমূখ ব্যক্তিবর্গের। এতদসত্ত্বে ও স্বীকৃতির বিষয়টি বিবেচনা হচ্ছিল না দেখে হাওলাদার সাহেব চিপ মিনিষ্টারের বাস ভবনে যান। মন্ত্রী মহোদয় অফিসে যেতে গাড়ীতে উঠতেই হাওলাদার সাহেব গাডীর সমূখে রাস্তায় বসে পড়েন। এ দৃশ্যের কারন একান্ত সচিব থেকে জেনে মন্ত্রী মহোদয় তার দৃঢ় মনোবল দেখে সন্তুষ্ট হলেন। একান্তে সচিবকে ডেকে ফাইল এনে ফাইল নোটে পোমগাঁও জুনিয়র স্কুলকে ০১/০১/১৯৫৬ইং হতে হাই স্কুলের স্বীকৃতি প্রদানের আদেশ দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঢাকা শিক্ষাবের্ডে ফাইল পেরন করেন। এ আদেশের প্রেক্ষিতে ০১/০১/১৯৫৬ইং হতে পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের আত্ম প্রকাশ ঘটে। যা আজও স্বীয় মহিমায় ভার্ষর। স্বীকৃতি প্রস্ত্তিতির বিষয়টিতে ঢাকায় মানসিক ও আর্থিকভাবে সহায়তা করেন পোমগাঁও নিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান (রহমান সাহেব নামে খ্যাত) স্বীকৃতি প্রস্ত্ততির বিষয়টি হাওলাদার সাহেব থেকে অবহিত হয়ে তিনি আনন্দে আত্মহারা হন। এখানে একটি কথা উল্ল্যেখ করা প্রয়োজন পোমগাঁও গ্রামের স্কুল স্থাপনে উদ্যেক্তা বাবু জগৎ চন্দ্র দেউড়ী এম.ই স্কুল হতে পর্যায়ক্রমে হাই স্কুলে উন্নীত হওয়া কালীন সময়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পদ গ্রহন করেন নি। মনে হচ্ছে তিনি শুধু দিতে চেয়েছেন বিনিময়ে কিছু পেতে চাননি। তার পিতা মাতা স্বার্থক নামকরন করেছেন। চন্দ্রের কিরন যেমন অন্ধকার ভেদ করে পৃথিবীকে আলোকিত করে তেমনি জগৎ চন্দ্র দেউড়ী ও স্কুল স্থাপন করে অন্ধকারে নিমজ্জিত সাধারন মানুষের ঘরে ঘরে স্থানের পদীপ জ্বেলেছেন।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

৬ঠ

৬২

৬২

১২৪

৭ম

৫৬

৭৪

১২৯

৮ম

৪৫

৭৭

১২২

৯ম

৩৯

৫১

৯০

১০

৪০

৯৬

১৩৬

মোট

২৪২

৩৬০

৬০২

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য

ক) কমিটির ধরনঃ এড়হক, খ) সদস্য সংখ্যাঃ ০৪ জন।

গ) অনুমোদনের চিঠির স্বারক নং- কমিটি /৭১/কুম/দঃ/২৪২৭, তাং ৪/৭/১১

ঘ) মেয়াদ কালঃ ০৪/০৭/১১ হইতে ০৩/০১/১২ইং পর্যন্ত ০৬ (ছয়) মাস।

ঙ) কমিটির সদস্য বৃন্দের তালিকাঃ

ক্রমিক নং

নাম

কার্যকরী

পদবী

০১

জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম

বোর্ড কতৃক মনোনীত

সভাপতি

ক্রমিক নং

নাম

কর্যকরী

পদবী

 

 

 

 

০২

প্রধান শিক্ষক

পদাধিকার বলে

সদস্য সচিব

০৩

জনাব মোঃ আহসান উল্ল্যাহ

(শিক্ষক প্রতিনিধি)

(জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কতৃক মনোনীত

সদস্য

 

০৪

জনাব দীপংকর চন্দ্রমজুমদার

অভিভাবক সদস্য

উপ-জেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক মনোনীতত

সদস্য

 

 

বিগত ৫ বছরে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল (এস.এস.সি)

সন

এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহন কারী ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা

এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহন কারী ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা

পাশের হার

মন্তব্য

২০০৭

৪২

১৫

৩৫.৭১%

 

২০০৮

৪১

৪১

১০০%

 

২০০৯

৪৩

৪২

৯৭.৬৭%

 

২০১০

৪৭

৪৩

৯১.৪৯%

 

২০১১

৫৩

৪৯

৯২.৪৫%

 

 

শিক্ষা বৃত্তির তথ্যঃ

(জুনিয়র বৃত্তি)

সন

জুনিয়র বৃত্তি/সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী ছাত্র

বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র /ছাত্রীর সংখ্যা

মন্তব্য

২০০৭

১৬

০৪

 

২০০৮

২৩

-

 

২০০৯

২৪

-

 

২০১০

১৭

০২

 

২০১১

 

০১

অষ্টমশ্রেণী সমাপনী পরিক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত

 

অর্জনঃ

ডাকাতিয়া নদী বিধ্যেত পল্লীর নিভুত কোনে নৈসর্গিক পরিবেশে অসস্থিত এ বিদ্যালয়টি উপ-জেলার শ্রেষ্ঠ ও প্রাচীনতম বিদ্যাপিঠ। তৎকালীন সময়ে আরো কোন বিদ্যালয় না থাকায় স্থাপিত হওয়ার পর থেকেই জনাক করে নিমজ্জিত সাধারন মানুষের ঘরে ঘরে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বেলেছে। এ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীরা। চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবি, শিক্ষক, শিক্ষিকা পাড়ী, সরকারী আমলা ও বে-সরকারী প্রতিষ্ঠনে উচ্চ পদে আসীন থেকে স্বীয় মেধা বলে যেমনি প্রথিত যশা হয়েছেন তেমনি দানে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে উজ্জ্বল ভূমিকা রাখছেন অনেকেই। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের অংশগ্রহন এবং সেবা মূলক কর্মকান্ড উল্লেখ যোগ্য। মাননীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দেশ পরিচালনায় নিয়েজিত আছেন এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র। মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময়ে প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার শপথ নিয়ে এ বিদ্যালয়ের অনেক প্রাক্তন ছাত্রই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।

ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আমাদের জীবনের এমন কোন দিক নেই যা প্রযুক্তিবিদ্যা দ্বারা প্রভাবিত হয়নি। তথ্য-প্রযুক্তির এযুগে একজন ছাত্র/ছাত্রীকে স্ব-নির্ভর হতে হলে আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজেকে প্রস্ত্তত করতে হবে। এ লক্ষ্যে কারীগরী শিক্ষার বিকল্প নেই। এ ধারনা হতে চলমান সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরী শিক্ষা অর্জনের লক্ষে বিদ্যালযের পাশে কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করার পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনা বস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। কারিগরী শিক্ষায় স্থান সংকুলানের জন্য বিদ্যালয়ের ১নং ক্রমিকের ভবনের মেরামত কাজ দ্রুত প্রয়োজন।

যোগাযোগঃ

ক) মোবাইলঃ ০১৭২১ ৩৫৩৬৫৭

খ) ই-মেইলঃ



Share with :

Facebook Twitter